গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী পদে জনাব মোঃ সাহাদাত হোসেন এর দায়িত্বভার গ্রহণ প্রসঙ্গে।     ** জনাব মোঃ সাহাদাত হোসেন কে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী পদে পদায়ন প্রসঙ্গে     ** অকেজো গাড়ীর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ (দিন) মাসের মধ্যে জরীপ বিবরণী প্রেরণ এবং সচল সকল গাড়ীর history book যথাযথভাবে সংরক্ষণ প্রসঙ্গে।     ** গণপূর্ত অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়নযোগ্য সকল কার্যচুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কাজের সময় ও মান নিয়ন্ত্রণ যথাযথভাবে প্রতিপালনের শর্তাবলী।     ** একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তার প্যানেল প্রস্তুত ও অন্যান্য কাজের জন্য তালিকা প্রেরণ।     **
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের বাণী

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন গণপূর্ত অধিদপ্তর বাংলাদেশে নির্মাণ অঙ্গনের পথিকৃত। প্রায় দুই শত বছর ধরে গণপূর্ত অধিদপ্তর দেশের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় মান নির্ধারণ করে আসছে। আমি খুশি যে এই অধিদপ্তর সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারসহ দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবল সমৃদ্ধ যারা স্থাপত্য অধিদপ্তরের স্থপতিদের সাথে পাশাপাশি কাজ করে থাকেন যা শত বছর ধরে পেশাদারিত্বের একটি দৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করেছে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বর্তমান সরকার সকল সরকারী প্রতিষ্ঠানের উন্নত কর্মক্ষমতা ও দায়িত্বপূর্ণ ভুমিকা নিশ্চিত করার উপর যথাযথ গুরুত্ব আরোপ করেছে। সরকারকে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সততা নিশ্চিত করতে হবে।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে,আমি আশা করব গণপূর্ত অধিদপ্তর আন্তরিকতার সাথে সরকারী উন্নয়ন প্রকল্পের মান,সাশ্রয়ী খরচ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

এ সুযোগে আমি আরো বলতে চাই, সরকার আগামী ২০২১ সালের মধ্যে তথ্য প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে "ডিজিটাল বাংলাদেশ" গড়ার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয়ী। তথ্য মহাসড়কের দ্রুত পরিবর্তন ও সামাজিক প্রভাব বিবেচনায় তথ্যপ্রযুক্তি বর্তমান রাষ্ট্র পরিচালনার আধুনিক অনুষঙ্গ। সরকারকে আরো স্বচ্ছ,দক্ষ ও সেবামুখী করার ক্ষেত্রে ই-গভর্নেন্স আমাদের সরকারের একটি কৌশলগত অবস্থান।

আমি এটা জেনে খুশি যে গণপূর্ত অধিদপ্তর ইতোমধ্যে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অগ্রসর হয়েছে। সম্প্রতি দেশের নাগরিকদের সাথে গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ই-মেইল যোগাযোগের সুযোগ তৈরী হয়েছে। আমি এটা জেনে খুব খুশি যে গণপূর্ত অধিদপ্তরের দরপত্রগুলো নিয়মিতভাবে ওয়েবসাইটে প্রচার করা হচ্ছে যা সরকারী ক্রয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করছে। যেহেতু প্রযুক্তি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, তথ্য প্রযুক্তির আধুনিকায়ন ও উচ্চ প্রযুক্তির সুযোগ সুবিধাগুলো দ্রুত চলে আসছে। গণপূর্ত অধিদপ্তর ২০১৭ সাল থেকে সরকারী ক্রয়কার্যে শতভাগ ই-টেন্ডারিং নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে দাপ্তরিক কাজে গতিশীলতা আনয়নের পাশাপাশি স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং স্বল্প সময়ে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তরে বর্তমানে নথি-পত্রাদি ব্যবস্থাপনায় ই-ফাইলিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে করে তাদের উন্নততর নির্মান ব্যবস্থাপনা এবং প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত হবে সর্বোপরি যা ২০২১ সালের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে অবদান রাখবে।


শ. ম. রেজাউল করিম, এমপি
মাননীয় মন্ত্রী
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়

সকল নোটিশ